Home / জাতীয় / স্বপ্নের পায়রা সেতুর ৮৪০ মিটার দৃশ্যমান

স্বপ্নের পায়রা সেতুর ৮৪০ মিটার দৃশ্যমান

বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের লেবুখালীর পায়রা সেতুর কাজ দ্রুত গতিয়ে এগিয়ে চলছে। এরই মধ্যে ৫০ শতাংশ নির্মাণকাজ শেষ করেছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে ৮৪০ মিটার সেতু। ২০২০ সালের মাঝামাঝি সেতুটি চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হতে পারে বলে আশাবাদী সড়ক জনপদ ও সেতু বিভাগ।

লেবুখালীর পায়রা নদীতে পায়রা সেতু বাস্তবায়ন হলে ঢাকার সঙ্গে গোটা দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন হবে। বরিশাল থেকে পটুয়াখালী, বরগুনা ও সাগরকন্যা কুয়াকাটার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো সহজ হবে। ঢাকা থেকে কক্সবাজারের চেয়ে অর্ধেক সময়ে কুয়াকাটায় যাওয়া সম্ভব হবে।

বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের একমাত্র ফেরি লেবুখালী পয়েন্টের নির্মণাধীন এই সেতু ঘিরে অর্থনৈতিক ও জীবনমান উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় অধিবাসীরা। পায়রা সেতু, পায়রা বন্দর, সমুদ্রবন্দর ও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ঘিরে এ অঞ্চলে গড়ে উঠছে বিভিন্ন স্থাপনা।

বরিশাল সড়ক জনপদ ও সেতু বিভাগ সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকার পর্যটন এলাকা কুয়াকাটাকে ঘিরে এই অঞ্চলে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরসংলগ্ন আন্ধারমানিক নদীতে শেখ কামাল, হাজীপুর সোনাতলী নদীতে শেখ জামাল ও শিববাড়িয়া নদীর ওপর শেখ রাসেল সেতু নির্মাণ করে।

যোগাযোগব্যবস্থা আরো সহজ করতে বরিশাল কীর্তনখোলা ও খয়রাবাদ নদীতে নির্মাণ করা হয় শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত নামের দুটি সেতু। আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত ১০ বছরে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে বরিশাল ও ঢাকাসহ সারা দেশের সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা অনেক উন্নত হয়েছে। কিন্তু এর পরও দুর্ভোগের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায় বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার সীমান্তবর্তী পায়রা নদী।

Check Also

আখাউড়া সীমান্তে হোলি উৎসবে মাতল বিজিবি-বিএসএফ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দোলযাত্রা (হোলি) উপলক্ষে বডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) জওয়ানদের আবির (রং) মাখিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by